Nav-logo

চিলাহাটির দর্শনীয় স্থান

চিলাহাটির ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, দর্শনীয় স্থান ও স্থানীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হোন। প্রতিটি স্থান বহন করে চিলাহাটির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রার গল্প।

কাঁঠালতলী চা এবং কমলা বাগানNatural

কাঁঠালতলী চা এবং কমলা বাগান

কাঁঠালতলী চা বাগান প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য একটি সুন্দর গন্তব্য। প্রায় ২২ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত এই বাগানে রয়েছে সবুজ চা গাছের সারি, কমলাবাগান এবং মূল সড়কের পাশে আঙুরের গাছ। বাগানের মনোরম ও শান্ত পরিবেশে সময় কাটানো, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা এবং ছবি তোলার জন্য জায়গাটি উপযোগী। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অবসর সময়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্যও এটি হতে পারে একটি চমৎকার স্থান।

গোমনাতি ফরেস্টNatural

গোমনাতি ফরেস্ট

গোমনাতি ফরেস্ট নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনাতি এলাকায় অবস্থিত একটি সবুজ বনাঞ্চল। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও নিরিবিলি আবহের কারণে এটি চিলাহাটি ও ডোমার অঞ্চলের প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ভ্রমণস্থান।

শেঠের কামাতNatural

শেঠের কামাত

শেঠের কামাত চিলাহাটির সাহাপাড়া ক্লিনিকের পাশে অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র গ্রামীণ জনপদ। মাটির ঘর, বাঁশের বেড়া, মাটির রাস্তা, বিদ্যুৎবিহীন সরল জীবন ও চারপাশের সবুজ কৃষিজমি মিলে জায়গাটি যেন গ্রামবাংলার পুরোনো দিনের একটি জীবন্ত ছবি।

গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান / জাগরণ চা বাগানNatural

গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান / জাগরণ চা বাগান

গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান বা জাগরণ চা বাগান নীলফামারীর ডোমারের ১ নম্বর ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের মুক্তিরহাট এলাকায় অবস্থিত একটি সীমান্তঘেঁষা সমতল চা বাগান। প্রায় ৫–৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এই সবুজ বাগানটি চিলাহাটি থেকে প্রায় ৭–৮ কিলোমিটার দূরে।

চিলাহাটি–হলদিবাড়ি সীমান্ত রেলগেটArchitectural

চিলাহাটি–হলদিবাড়ি সীমান্ত রেলগেট

চিলাহাটি–হলদিবাড়ি সীমান্ত রেল সংযোগ দীর্ঘ ৫৫ বছর পর ২০২০ সালে পুনরায় চালু হয়। বাংলাদেশ গেট ও ইন্ডিয়ান গেটসহ ঐতিহাসিক এই সীমান্ত রেলপথ বর্তমানে চিলাহাটির ইতিহাস ও পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ।

গোসাইগঞ্জ ব্র্যাক নার্সারি Natural

গোসাইগঞ্জ ব্র্যাক নার্সারি

চিলাহাটির গোসাইগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ব্র্যাক নার্সারি একটি বৃহৎ বৃক্ষচারা উৎপাদনকেন্দ্র, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলের চারা উৎপাদন করা হয়। বিস্তীর্ণ সবুজ পরিবেশের কারণে এটি চিলাহাটির একটি নীরব ও প্রকৃতিনির্ভর ভ্রমণস্থল হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে।