
চিলাহাটি , ডোমার, নীলফামারী, রংপুর

Md Masum Ahmed
প্রকাশ
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান বা জাগরণ চা বাগান নীলফামারীর ডোমারের ১ নম্বর ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের মুক্তিরহাট এলাকায় অবস্থিত একটি সীমান্তঘেঁষা সমতল চা বাগান। প্রায় ৫–৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এই সবুজ বাগানটি চিলাহাটি থেকে প্রায় ৭–৮ কিলোমিটার দূরে।
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান, স্থানীয়ভাবে জাগরণ চা বাগান নামেও পরিচিত, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১ নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের মুক্তিরহাট এলাকায় অবস্থিত একটি মনোরম চা বাগান। চিলাহাটি থেকে বাগানটির দূরত্ব প্রায় ৭–৮ কিলোমিটার। বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি এর ভৌগোলিক অবস্থানও বেশ আকর্ষণীয়।
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগানে চা চাষ শুরু হয় ২০১৮ সালে। সমতল ভূমির ওপর গড়ে ওঠা এই চা বাগানটি বর্তমানে প্রায় ৫–৬ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। উত্তরাঞ্চলের সমতল এলাকায় চা চাষের একটি উদাহরণ হিসেবে বাগানটি স্থানীয়ভাবে পরিচিতি পেয়েছে।
চা বাগানটির চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম ও শান্ত। সারিবদ্ধভাবে লাগানো চা গাছের সবুজ সমারোহ এবং খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের সহজেই আকৃষ্ট করে। সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এখানকার পরিবেশে গ্রামীণ প্রকৃতি ও সীমান্ত এলাকার স্বতন্ত্র আবহ একসঙ্গে অনুভব করা যায়।
সবুজ চা গাছের সারির মধ্য দিয়ে হাঁটা এবং চারপাশের খোলা প্রকৃতি উপভোগ করা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হতে পারে। বিশেষ করে বর্ষা ও শীতের সময়ে বাগানের পরিবেশ আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগানের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তঘেঁষা অবস্থান। চিলাহাটি ও ভোগডাবুড়ী এলাকার সীমান্তবর্তী ভূপ্রকৃতির মধ্যে গড়ে ওঠা এই চা বাগান স্থানীয় পর্যটনের জন্য একটি সম্ভাবনাময় স্থান।
তবে এটি সীমান্ত এলাকা হওয়ায় ভ্রমণের সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নির্দেশনা ও নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান চিলাহাটি থেকে প্রায় ৭–৮ কিলোমিটার দূরে মুক্তিরহাট এলাকায় অবস্থিত। চিলাহাটি থেকে স্থানীয় সড়কপথে বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে বাগানটির কাছাকাছি যাওয়া যায়।
শীতকাল ও বর্ষার পরের সময় গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান ঘুরে দেখার জন্য মনোরম সময়। এ সময়ে চা বাগানের সবুজ পরিবেশ ও আশপাশের প্রকৃতি বিশেষভাবে উপভোগ করা যায়।
গিরিয়ার ডাঙ্গা চা বাগান আয়তনে বড় না হলেও এর সবুজ পরিবেশ, সমতল ভূমিতে চা চাষ এবং বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান এটিকে স্থানীয় পর্যটনের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সঠিকভাবে পরিচিতি ও সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে এটি চিলাহাটি ও ভোগডাবুড়ী এলাকার অন্যতম সুন্দর প্রকৃতিনির্ভর ভ্রমণস্থল হিসেবে পরিচিত হতে পারে।
অবস্থান: মুক্তিরহাট, চিলাহাটি, ডোমার, নীলফামারী


