Nav-logo
Md Masum Ahmed

Md Masum Ahmed

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৭:৪৮ পিএম

জনাব মোঃ বাবু মিয়া

জনাব মোঃ বাবু মিয়া

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাবু মিয়া চিলাহাটির একজন পরিচিত ক্রীড়াবিদ, সমাজসেবক ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা স্থানীয় ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে তিনি চিলাহাটিতে নিজ বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।

জীবনতথ্য

জন্ম

১ জানুয়ারি, ১৯৫৭

জন্মস্থান

চিলাহাটি

পেশা

জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক

ক্রীড়াবিদ

সমাজসেবক

রাজনীতিবিদ

জনাব মোঃ বাবু মিয়া

পরিচিতি

চিলাহাটির ক্রীড়াঙ্গনে অবদান

সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড

চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগ

জীবনী

শৈশব ও শিক্ষাজীবন

বাবু মিয়া ১৯৫৭ সালে চিলাহাটির একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তাঁর কৈশোরের একটি বড় অংশ ক্রীড়াঙ্গনে কেটেছে। খেলাধুলার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং বিভিন্ন অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি চিলাহাটিতে পরিচিতি লাভ করেন।

তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় চিলাহাটি মার্চেন্টস হাই স্কুলে। পরবর্তীতে সেখান থেকে টিসি নিয়ে তিনি গাইবান্ধায় গিয়ে তিন বছর পড়াশোনা করেন এবং সেখান থেকে এসএসসি পাস করেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও সামাজিক ভূমিকা

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বাবু মিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি চিলাহাটির বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড ও স্থানীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ক্রীড়াবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে তিনি স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিতি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন

বাবু মিয়ার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অংশ নেন এবং ১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর চিলাহাটিতে তিনিই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

১৯৮২ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন এবং সেখানে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের সময়কাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দলটি ছেড়ে দেন এবং বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।

১৯৮৪ সালে তিনি প্রথম ভোটার হন এবং একই বছর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

চিলাহাটির উন্নয়নে অবদান

চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর উদ্যোগে বাবু মিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এ ক্ষেত্রে ছকিকুল আলম খোকন চেয়ারম্যানও ভূমিকা রাখেন। তাঁদের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর ব্যবস্থা হয়। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ডাকবাংলো সংলগ্ন একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে প্রথম বাতি জ্বলে, যা এলাকার উন্নয়নের স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

এ ছাড়া চিলাহাটি ও ভোগডাবুড়ির মধ্যে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রেও বাবু মিয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর এসব উদ্যোগ চিলাহাটির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বর্তমান জীবন

বর্তমানে বাবু মিয়া চিলাহাটিতে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের ক্রীড়াঙ্গন, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার পর এখন তিনি পারিবারিক জীবনেই সময় অতিবাহিত করছেন।

ঐতিহ্য ও স্মরণ

ক্রীড়াবিদ, সমাজসেবক ও সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে বাবু মিয়ার জীবন চিলাহাটির স্থানীয় ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। খেলাধুলায় তাঁর সম্পৃক্ততা, মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা স্থানীয় ঐতিহ্যের অংশ।

স্বীকৃতি ও সম্মাননা

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত

১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হন।

চিলাহাটির ক্রীড়াঙ্গনে অবদান

শৈশব ও কৈশোর থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন অর্জন করেছেন।

চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগ

চিলাহাটিতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে ভূমিকা রাখেন এবং চিলাহাটি ডাকবাংলো সংলগ্ন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে প্রথম বাতি জ্বলে।

মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন।

আপনার কাছে কি চিলাহাটির কোনো তথ্য আছে?

আপনার কাছে থাকা পুরোনো ছবি, দলিল, গল্প বা স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হোন।