
গোসাইগঞ্জ, চিলাহাটি-মুক্তিরহাট প্রধান সড়কে মুক্তিরহাট হাট এর ৩০০মিটার দক্ষিণে রাস্তা সংলগ্ন অবস্থিত ।

প্রকাশ: ২৪ সেপ, ২৬
গোসাইগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি এলাকার মুক্তিরহাটে অবস্থিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নীলফামারী–ডোমার–চিলাহাটি–মুক্তিরহাট প্রধান সড়কের পাশে, মুক্তিরহাট হাটের প্রায় ৩০০ মিটার দক্ষিণে।
শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় জনগণ ও বাংলাদেশ সরকারের সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (SESIP)-এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই গোসাইগঞ্জ গ্রামে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নীলফামারী জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে প্রায় পাঁচ বিঘা জমির ওপর সবুজ ও শান্ত পরিবেশে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয় স্থানীয় গোসাইগঞ্জ গ্রামের নাম অনুসারে।
গোসাইগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম ও ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি বিজ্ঞান শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে আধুনিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ একটি বিজ্ঞানাগার রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিকভাবে বিজ্ঞান শেখার সুযোগ পায়।
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ক্যাম্পাস প্রায় ২.২৬ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এবং চারদিকে সীমানা প্রাচীর রয়েছে। এখানে রয়েছে চারতলা একাডেমিক ভবন, যার আয়তন প্রায় ৯,০০০ বর্গফুট এবং কক্ষ রয়েছে ১২টি। এছাড়া দুটি টিনশেড ভবনে মোট ১৪টি কক্ষ রয়েছে।
ক্যাম্পাসে আরও রয়েছে মোটরসাইকেল গ্যারেজ, নির্মাণাধীন প্রায় ৩,২৪০ বর্গফুটের অডিটোরিয়াম, প্রায় ২১,৭৫০ বর্গফুটের পুকুর এবং ছাত্রীদের জন্য ৯০০ বর্গফুটের কমন রুম।
প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অধ্যক্ষ হিসেবে মোঃ ফারুক হোসেন দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের শিক্ষক-তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১০ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। এছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও প্রভাষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকরা এখানে পাঠদান করছেন।
১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে গোসাইগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ চিলাহাটি, মুক্তিরহাট ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা, বিজ্ঞানাগার এবং ক্রমবর্ধমান অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
